পোস্টগুলি

হিজরী সনের সূচনা কখন কীভাবে ?

হিজরী সনের সূচনা কখন কীভাবে ? হজরত ওমর রা. তার খিলাফতকালে হিজরতের ১৭তম বর্ষে হিজরী সন গণনা শুরু করেন। এর প্রেক্ষাপট ছিল এরকম — হজরত ওমর রা.-এর কাছে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় চিঠি আসত। সেখানে মাসের নাম ও তারিখ লেখা হতো। কিন্তু সনের নাম থাকত না। এতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতো। তখন পরামর্শের ভিত্তিতে একটি সন নির্ধারণ ও গণনার সিদ্ধান্ত হয়। বিভিন্ন উপলক্ষ থেকে সন গণনার মতামত আসলেও শেষ পর্যন্ত হিজরতের ঘটনা থেকে সন গণনার সিদ্ধান্ত হয়। হিজরতের বছর থেকেই সন গণনার তাৎপর্য কী ? সন গণনার আলোচনার সময় প্রস্তাব উঠেছিল , ঈসায়ী সনের সূচনার সঙ্গে মিল রেখে নবীজীর জন্মের সন থেকে ইসলামী  সনের শুরু হওয়া। এ রকম আরও কিছু কিছু উপলক্ষের কথাও আলোচিত হয়। কিন্তু হিজরতের সন থেকে সন গণনা চূড়ান্ত হওয়ার পেছনে তাৎপর্য হল , হিজরতকে মূল্যায়ন করা হয় ‘ আল ফারিকু বাইনাল হাক্কি ওয়াল বাতিল ’ অর্থাৎ সত্য-মিথ্যার মাঝে সুস্পষ্ট পার্থক্যকারী বিষয় হিসেবে। হিজরতের পর থেকেই মুসলমানরা প্রকাশ্য ইবাদত ও সমাজ-গঠনের রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে পেরেছিলেন। প্রকাশ্যে আযান , নামায , জুমা , ঈদ সবকিছু হিজরতের পর থেকেই শুরু হ...

অন্যের প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ করা

অন্যের প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ করা প্রিয় মুসলিম ভাই ও বন্ধুগণ! আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সুন্দর নামসমূহের মধ্যে দুটো নাম হল- আর রহমান ও আর রহীম। এর অর্থ হল , পরম দয়াময় ও অতি দয়ালু। ‘ আর রাহমান ’ বা পরম দয়াময় বলতে ব্যাপক দয়া ও করুণাকে বুঝানো হয়। যে দয়া-করুণায় ইহজগতে কাফির , মুশরিক ও মুমিন সকলেই এবং পরজগতে কেবল মুমিনরা অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে ‘ আর রহীম ’ বলতে এমন দয়া ও করুণাকে বুঝায় , যা শুধু পরকালে মুমিনদের জন্য নির্দিষ্ট থাকবে। অধিকাংশ আলেম-উলামার মত এটাই। আমরা আল্লাহ তাআলার রহমত দ্বারা পরিবেষ্টিত। আল্লাহর অগণিত রহমত ও করুণা আমাদের গোটা অস্তিত্বকে ছেয়ে আছে। আর আল্লাহর এ রহমতকে প্রতিরোধ করার কেউ নেই। সাথে সাথে আল্লাহর রহমত রুদ্ধ হয়ে গেলে তা বিমুক্ত করারও কেউ নেই। একমাত্র আল্লাহ তাআলাই সকল রহমত ও করুণার অধিপতি। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন : مَا يَفْتَحِ اللَّهُ لِلنَّاسِ مِنْ رَحْمَةٍ فَلَا مُمْسِكَ لَهَا وَمَا يُمْسِكْ فَلَا مُرْسِلَ لَهُ مِنْ بَعْدِهِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ‘ আল্লাহ মানুষের জন্য যে রহমত উন্মুক্ত করে দেন , তা আটকে রাখার কেউ নেই। আর তিন...